New Grading System in Bangladesh 2020

বদলে যাচ্ছে গ্রেডিং পদ্ধতি। 


একই গ্রেডিং স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত। 


পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেডিং পদ্ধতি সংস্কার করা হচ্ছে। পুরোনো পদ্ধতি জিপিএ-৫ এর পরিবর্তে নির্ধারণ করা হয়েছে জিপিএ-৪। চলতি বছর (২০২০ শিক্ষাবর্ষ) জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা থেকে এটি কার্যকর করা হবে। এই একই গ্রেডিং পদ্ধতি বাস্তবায়িত হবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জেএসসি পর্যন্ত। ২০২১ সাল থেকে এসএসসি-সমমান ও এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৪ কার্যকর করা হবে।
চলতি ফেব্রুয়ারিতেই নতুন গ্রেডিং পদ্ধতি নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
নতুন গ্রেডিং পদ্ধতিতে জেএসসি-জেডিসি, এসএসসি-সমমান, এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় নম্বরের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ জিপিএ-৪ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে-


৯০-১০০ পর্যন্ত A+ জিপিএ-৪,
৮০-৮৯ পর্যন্ত A জিপিএ-৩.৫,
৭০-৭৯ B+ জিপিএ-৩,
৬০-৬৯ B জিপিএ-২.৫,
৫০-৫৯ C+ জিপিএ-২,
৪০-৪৯ C জিপিএ-১.৫,
৩৩-৩৯ D জিপিএ-১ এবং 
০০-৩২ F গ্রেড জিপিএ-০ বা ফেল নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত বছর ৮ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রেড পরিবর্তন-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। নতুন গ্রেডিং পদ্ধতিতে শুধু জিপিএ-৫ এর স্থানে জিপিএ-৪ নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিজিপিএ-৪ এর সঙ্গে সমন্বয় করে নিচের স্তরের সব পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৪ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের কাঠিন্যের স্তর, মার্কিংয়ের গুণগত মান ইত্যাদি পরিবর্তন হচ্ছে না। আগের পদ্ধতিতে খাতা মূল্যায়ন ও নম্বর বণ্টন করা হবে।